ফিফা এ হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করলেও ট্রাম্প গর্ব করে নিজেই বলেছেন সেই ‘অর্জন’-এর কথা। কিন্তু মাঠে দেখা গেল উল্টো চিত্র। পুরো ৯০ মিনিটে মাত্র ১৯ বার বলে স্পর্শ করতে পেরেছেন বালোগান। আর ট্রাম্পের ঘটনা তাতিয়ে দেয় বেলজিয়াম দলকে। ফল? দুর্দান্ত এক জয়। এমন জয়ের পর বেলজিয়াম খোঁচা দেবে না, তা কি সম্ভব?
৯৩ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন বদলি নামা রোমেলু লুকাকু। উদ্যাপনটাও ছিল একেবারে ট্রাম্পের আদলে। দুই হাত সামনে নিয়ে ট্রাম্প যেভাবে নাচেন, লুকাকু শুরুটা করলেন সেভাবেই। এরপর তাঁর সঙ্গে যোগ দিল পুরো দল। উদ্যাপন শেষ হলো একসঙ্গে ট্রাম্পের মতো নেচে।
ম্যাচের ধারাভাষ্যকারেরাও মজা করেন। তুরস্কের এক ধারাভাষ্যকার লুকাকুর গোলের পর বলে বসেন, ‘শেষ মিনিটে কোনো কিছু না পাল্টালে যুক্তরাষ্ট্রকে আমরা এখানেই টাটা বলছি।’
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে আরবিএফএ। ক্যাপশন ছিল, ‘এটা বদলাও।’ লাল কার্ড বদলাতে পারলেও এই ফল তো বদলানোর সাধ্য নেই কারও। খোঁচাটা সরাসরি ট্রাম্পের প্রতিই ছিল। নিজেদের সেরা খেলোয়াড়কে খেলাতে গিয়ে ট্রাম্প উল্টো হাসির পাত্র হলেন পুরো ফুটবল–বিশ্বের কাছে।


