
জেরুজালেম, ২৬ ফেব্রুয়ারি – ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতি ইফরাতে প্রথমবারের মতো কূটনৈতিক ও পাসপোর্ট সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা সরাসরি ওই অঞ্চলের বসতি স্থাপনকারীদের সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বিশ্বের অধিকাংশ দেশ পশ্চিম তীরের বসতিগুলোকে অবৈধ বলে গণ্য করলেও ইসরায়েল এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বরং দেশটির অনেক ডানপন্থি নেতা পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
গাজা ও পূর্ব জেরুজালেমের পাশাপাশি পশ্চিম তীরকে নিয়ে ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখলেও, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা সম্প্রতি এমন কিছু পদক্ষেপ অনুমোদন করেছে যা ফিলিস্তিনিদের জমি দখল প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে।
জেরুজালেমের মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে শুক্রবার ইফরাতে নিয়মিত পাসপোর্ট সেবা দেবেন কর্মকর্তারা।
বেথলেহেমের দক্ষিণে অবস্থিত ইফরাত মূলত একটি ফিলিস্তিনি শহর যা বর্তমানে বসতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত রামাল্লা, বেইতার ইলিত এবং হাইফা শহরেও অনুরূপ সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে দূতাবাসের।
সাধারণত জেরুজালেম ও তেল আবিবে এই সেবা দেওয়া হলেও পশ্চিম তীরে বসবাসরত হাজার হাজার দ্বৈত নাগরিকের সুবিধার্থে এই নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পশ্চিম তীরে বর্তমানে ৩০ লাখ ফিলিস্তিনির পাশাপাশি ৫ লাখেরও বেশি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করছেন।
মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র জানান, প্রথমবারের মতো পশ্চিম তীরের কোনো বসতিতে কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং সেখানে বসবাসরত মার্কিন ফিলিস্তিনি দ্বৈত নাগরিকদেরও এই সেবার আওতায় আনা হবে।
এনএন/ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





