ঠিক তখনই সড়ক ধরে এক ভ্যানচালক এসে থামলেন বেলগাছতলায়। তিনিও পানি খেলেন। জানালেন, সড়কের ধারে বড় গাছপালা নেই বললেই চলে। এই বেলগাছগুলো নাকি অযত্নেই বেড়ে ওঠা। দুই বছর আগে এলাকার এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার মাঠে কাজ করা কৃষক আর পথচারীদের সুবিধার জন্য টিউবওয়েল বসান। দূরে মাঠে আরও কিছু টিউবওয়েল আছে কিন্তু দীর্ঘ দূরত্বের সড়কের পাশে এটি ছাড়া নেই।
বেলগাছগুলোতে পাখির আনাগোনা দেখা গেল। কয়েকটি পাখি উড়াল দিল, আবার ফিরেও এল। গাছ, টিউবওয়েল আর খোলা মাঠ—জায়গাটি যেন পথিকের জন্য বিরতিস্থান।
কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আমরা আবার রওনা দিলাম। সামনে নাজিরপুরের রাস্তা। পেছনে রয়ে গেল সাতটি বেলগাছ, টিউবওয়েল আর পথচলার সাধারণ কিন্তু দরকারি এক ব্যবস্থা, যা হয়তো প্রতিদিনই অনেক মানুষকে একটু থামতে শেখায়।



