এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা চেয়ারম্যানকে মারতে গেছেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে শতাধিক মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা আলিউল ইসলামের বিচার দাবি করে তাঁকে তাঁর কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যানের সহায়তায় দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষুব্ধ লোকজনকে বোঝানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ভিড়ের মধ্যেই প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলিউল ইসলামকে তাঁর কক্ষ থেকে বের করে গাড়িতে তোলে পুলিশ। এ সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেন। পরে তাঁকে থানায় নেওয়া হয়।
তবে সভা চলাকালে বাগ্বিতণ্ডার সময় কেউ কাউকে আঘাত করেননি বলে চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা দুজনই দাবি করেছেন।



