সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। চলমান বিক্ষোভের কারণে বাতিল করা হয়েছে কাঠমাণ্ডুতে গড়াতে চলা বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ। আপাতত হোটেলে আছেন জামাল ভূঁইয়ারা। মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন তারা।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বলেছেন, ‘আগামী কালকে যে ফ্লাইটটি অ্যাভেইলেবল থাকবে ওই ফ্লাইটেই ওদের দেশে নিয়ে আসবো আমরা। বিষয়টা নিয়ে কাজ করছি আমরা, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল চলে আসবে ওরা।’
কাঠমাণ্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় পৌনে ৬টায় দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে নামার কথা ছিল বাংলাদেশ ও নেপালের। দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বাতিল করা হয়েছে ম্যাচটি।
গত শুক্রবার দেশটির সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করে দেয়। এর সাথে যোগ হয় সরকারের দুর্নীতির বিপক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ। সব মিলিয়ে সোমবার রাজপথে নেমে আসার ঘোষণা দিয়েছিল তারা। ঘোষণা অনুযায়ী বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামে। নিউ বানেশ্বরের পার্লামেন্ট ভবনের এলাকাসহ কাঠমান্ডুর বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায়-দফায় সংঘর্ষ চলছে। নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোস্টের সবশেষ খবর অনুযায়ী, সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
বিক্ষোভের কারণে জামাল ভূঁইয়াদের অনুশীলন স্থগিত করা হয়। পরে বাফুফে ম্যাচ বাতিলের কথা জানায়। দলের সার্বিক অবস্থা জানিয়ে এর আগে বাফুফে বলেছিল, ‘বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কাঠমান্ডুর সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আমাদের সকল সমর্থক ও ফুটবল পরিবারকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের দলের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (আনফা) এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’
‘দল নিরাপদ রয়েছে এবং তারা বর্তমানে টিম হোটেলে সুরক্ষিত আছে। বাফুফে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং আমাদের সকল পদক্ষেপ ও প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।’




