
ঢাকা, ১০ মার্চ – প্রতিবেশী দেশ নেপালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এখন নতুন সরকার গঠনের অপেক্ষায় রয়েছেন দেশটির জনগণ। নেপালের এই গণতান্ত্রিক যাত্রাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার ৯ মার্চ রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নেপালের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনকে তিনি একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক অনুশীলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন যে সফল ও শান্তিপূর্ণ সংসদীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণ প্রশংসার দাবিদার। এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অনুশীলন নেপালি জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ভিত্তিকে প্রতিফলিত করে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের নতুন সরকার নেপালের জনগণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গত বছর দেশটিতে এক ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লাখো ভোটার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হন।
নেপালের ২৭৫ সদস্য বিশিষ্ট হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস বা প্রতিনিধি সভার জন্য এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৫টি আসনে সরাসরি ভোট এবং ১১০টি আসনে দলীয় তালিকার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণ করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রায় এক কোটি ১৩ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের ভোট গণনা এখনো চলছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে প্রাথমিক ফলাফলে তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল আরএসপি প্রায় ১১০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। ফলে দলটি বড় ধরনের বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন।
এনএন/ ১০ মার্চ ২০২৬





