পরে স্থানীয় লোকজন আবদুর রশিদকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবির হাসানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নেত্রকোনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, আটক করা অভিযুক্ত আবদুর রশিদ নেশাগ্রস্ত বলে জানা গেছে। নেশার টাকার জন্য তিনি নিহত মনোয়ারার কাছে পাঁচ হাজার টাকা ধার চান। না দেওয়ায় তিনি তাঁকে হত্যা করেছেন। বাঁচাতে গেলে তাঁর ছেলে ও স্বামীকে কুপিয়ে জখম করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এর পেছনে আরও কিছু ঘটনা থাকতে পারে। নিহত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।



