সাইবার জগতের অতন্দ্রপ্রহরী—
স্বাস্থ্যসেবার গণ্ডি পেরিয়ে কাঞ্চনের মেধার স্বাক্ষর রয়েছে সাইবার নিরাপত্তাতেও। ২০২২ সালে এই বিষয়ে তাঁর প্রথম গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। ডিজিটাল জালিয়াতি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা শনাক্তকরণে তাঁর গবেষণাগুলো আন্তর্জাতিক জার্নালে বেশ সমাদৃত হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে হাসপাতাল বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো যখন প্রতিনিয়ত সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়ছে, তখন তাঁর ‘সিকিউর বাই ডিজাইন’ দৃষ্টিভঙ্গি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক অনন্য উদাহরণ।
সাফল্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি—
কাঞ্চন কুমারের সাফল্যের ঝুলি বেশ সমৃদ্ধ। তাঁর গবেষণাগুলো প্রকাশিত হয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ‘নেচার’ পাবলিশিং গ্রুপের সায়েন্টিফিক রিপোর্টস, আইইইই অ্যাকসেস এবং একাধিক এলসেভিয়ার ইনডেক্সড আন্তর্জাতিক জার্নালে। তিনি শুধু গবেষকই নন, বরং একজন স্বীকৃত রিভিউয়ারও। নামকরা জার্নাল অফ আলঝেইমার’স ডিজিজ-সহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক প্রকাশনায় পিয়ার রিভিউয়ার হিসেবে তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য নাম।
এ ছাড়া তিনি জার্নাল অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল নিউরোলজির সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য এবং সম্মানজনক বৈজ্ঞানিক সোসাইটি ‘সিগমা এক্সে’ ও আইইইইর গ্র্যাজুয়েট মেম্বার। এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডেটা-প্রসেসিং প্রযুক্তিতে তিনি অর্জন করেছেন যুক্তরাজ্য অনুমোদিত একটি পেটেন্ট।



