১৯৭৯ সালের নির্বাচনে মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন নাদিরার শ্বশুর শামসুল হুদা চৌধুরী বাদশা। তাঁর মৃত্যুর পর একই বছর উপনির্বাচনে তাঁর চাচাশ্বশুর আলতাফ হোসেন চৌধুরী নির্বাচিত হন। এরপর এ আসনে বিএনপি থেকে কেউ নির্বাচিত হয়নি। ২০২০ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন নাদিরা চৌধুরী।
শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিবচরের রাজনীতিতে নারীদের অবস্থান সব সময়ই অবহেলিত ছিল। নাদিরা আক্তার সেই জায়গাটি পূরণ করেছেন। জনগণের কাছে তিনি এখন আস্থার নাম। এ আসনে প্রথমবারের মতো কোনো নারী প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা নারীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক বিষয়।’
মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপি প্রাথমিকভাবে উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান মোল্লাকে মনোনয়ন দিয়েছিল। পরে মনোনয়নবঞ্চিত সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকীর সমর্থকেরা অসন্তোষ প্রকাশ করলে তাঁর মনোনয়ন স্থগিত করে দ্বিতীয় দফায় নাদিরা আক্তারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কামাল জামান মোল্লা ও সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এ কারণে তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী দুই প্রার্থী ছাড়াও মোট সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।
