নামাজ কেন পাঁচ ওয়াক্ত

নামাজ কেন পাঁচ ওয়াক্ত

পাঁচ ওয়াক্তের সময়গুলো নিজেরাই দিনের একটা স্বাভাবিক ছন্দ তৈরি করে।

ফজর দিনের শুরুতে ঘুম থেকে ওঠার একটা শৃঙ্খলা আনে, জোহর দিনের মাঝামাঝি ব্যস্ততার মধ্যে একটা বিরতি দেয়, আসর বিকেলের ক্লান্তির মধ্যে একটা পুনরুজ্জীবন, মাগরিব দিনের শেষে কৃতজ্ঞতার একটা মুহূর্ত, আর এশা রাতের বিশ্রামের আগে শেষ স্মরণ।

কোরআনে এই সময়গুলোর কথা এভাবে এসেছে, ‘সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়া থেকে রাতের আঁধার পর্যন্ত নামাজ কায়েম করো, আর ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয়ই ফজরের কোরআন পাঠ (ফেরেশতাদের) উপস্থিতিতে ঘটে।’ (সুরা ইসরা, আয়াত: ৭৮)

অর্থাৎ নামাজ শুধু একটা আধ্যাত্মিক কর্তব্য নয়, এটা দিনের একটি কাঠামোও বটে; যা মানুষকে বারবার তার আসল লক্ষ্যের দিকে ফিরিয়ে আনে, দুনিয়ার ব্যস্ততায় হারিয়ে যেতে দেয় না।

মিরাজের রাতের সেই বারবার ফিরে যাওয়া, সংখ্যা কমতে থাকা, শেষে পাঁচে স্থির হওয়া—এই পুরো ঘটনাই আসলে একটি বার্তা বহন করে। তা হলো, আল্লাহর বিধান মানুষের সামর্থ্যের বাইরে নয়, বরং তার জন্যই সাজানো।

দিনে পাঁচবার আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো একটা ভারী বোঝা নয়; এটা এমন একটা নদী, যেখানে বারবার ফিরে গিয়ে নিজেকে ধুয়ে নেওয়া যায়।

Scroll to Top