নানা আয়োজনে হাজংমাতা রাশিমণিকে স্মরণ এবং টঙ্ক দিবস পালিত

নানা আয়োজনে হাজংমাতা রাশিমণিকে স্মরণ এবং টঙ্ক দিবস পালিত

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের পরিচালক গীতিকবি সুজন হাজং। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন নৃত্যশিক্ষক মালা মার্থা আরেং ও দোলন হাজং। বক্তব্য দেন দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা এম এ জিন্নাহ, বাংলাদেশ জাতীয় হাজং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পল্টন হাজং, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব শাহ আলম, আইনজীবী সজয় চক্রবর্তী, বিরিশিরি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এম এন আলম, কবিজন ক্রসওয়েল খকসী, হাজং ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জিতেন্দ্র হাজং, উপজেলা হাজং ছাত্রসংগঠনের সভাপতি অন্তর হাজং, রাহী হাজং সংগঠনের সভাপতি নারায়ণ হাজং, চিত্রশিল্পী রূপক হাজং প্রমুখ।

এম এ জিন্নাহ বলেন, টঙ্ক আন্দোলন বাংলার কৃষকদের অধিকার আদায়ের একটি অন্যতম আন্দোলন। কৃষকদের উৎপাদিত শস্যের ওপর এই টঙ্কের পরিমাণ ছিল প্রচলিত খাজনার কয়েক গুণের বেশি, যা দরিদ্র কৃষকদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না। কমরেড মণি সিংহের নেতৃত্বে এই আন্দোলন যখন গড়ে তোলা হয়, তখন রাশিমণি হাজং এই আন্দোলনে যোগ দেন। তাঁর অসীম সাহসিকতা এবং বীরত্বপূর্ণ কৃতিত্বের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এ ছাড়া একজন নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় আরেকজন নারীর জীবন বলিদান, ইতিহাসে এই অবিস্মরণীয় ঘটনা অম্লান হয়ে থাকবে।’

Scroll to Top