ম্যাচজুড়ে তুরস্কের আক্রমণভাগের বিপক্ষে লড়েছে প্যারাগুয়ের রক্ষণ। তবে ম্যাচ শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই আসরের দ্রুততম গোলটি করে ফেলে প্যারাগুয়ে। সেটা ধরে রেখে ৯০ মিনিট জুড়ে টার্কিশদের আটকে রাখে লাতিন দেশটি। ওই ১-০ গোলেই জিতেছে তারা। প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ গোলে হারায়, বিশ্বকাপে টিকে থাকার জন্য এ ম্যাচ জেতা প্যারাগুয়ের ছিল আবশ্যক।
সান ফ্রান্সিসকোর লেভি’স স্টেডিয়াম তুরস্কের বিপক্ষে ৬৫ সেকেন্ডে গোল করে আসরের দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েছেন প্যারাগুয়ের মাতিয়াস গ্যালারজা। গত রাতে মরক্কোর ইসমায়েল সাইবারি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৭০ সেকেন্ডে গোল করে রেকর্ডে শীর্ষে ছিলেন। প্রথমার্ধের প্রথম গোলের পর আর জালের দেখা পায়নি কোন দল। ১-০তে এগিয়ে বিরতিতে যায় প্যারগুয়ে।
এ ম্যাচেই ৪৫ মিনিট শেষে যোগ করা সময় মুখে হাত দিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে কথা বলায় নতুন নিয়মে ইতিহাসে প্রথম লাল কার্ড দেখেছেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন। নিয়ম, মুখে হাত দিয়ে কোন খেলোয়াড় কথা বলে ফাউল ধরে লাল কার্ড হবে।
দ্বিতীয়ার্ধে বেশ আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে তুরস্ক। তবে জালের দেখা পায়নি দলটি। ম্যাচ জুড়ে ৮০ শতাংশ বল দখলে রেখে ৩৩টি শট করে তুর্কি যার মধ্যে অবশ্য ৬টি শট ছিল লক্ষ্য বরাবর। তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলের দুর্দান্ত পরফরম্যান্স এবং তুরস্কের বাজে ফিনিসিংয়ের কারণেই হারতে হয়েছে দেশটিকে। ম্যাচে কেবল ৬টি শট নেয় প্যারাগুয়ে, যার মধ্যে ২টি ছিল লক্ষ্য বরাবর।


