দোয়াটি শেখানোর সময় নবীজি একটি চমৎকার উপমা দিয়ে আলি (রা.)-কে এর অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, “যখন তুমি ‘হেদায়েত’ (সঠিক পথ) প্রার্থনা করবে, তখন মনে মনে আল্লাহর প্রদর্শিত সরল-সঠিক পথের কথা চিন্তা করবে। আর যখন ‘সাদাদ’ (অবিচলতা বা সোজা থাকা) প্রার্থনা করবে, তখন ধনুক থেকে নিখুঁতভাবে ছুটে যাওয়া তীরের কথা স্মরণ করবে, যা কোনোদিকে না বেঁকে সরাসরি লক্ষ্যে আঘাত করে।” (ইবনে হাজার আসকালানি, ফাতহুল বারি শারহ সহিহ আল-বুখারি, ১১/৯৬, দারুল মাআরিফা, বৈরুত, ১৩৭৯ হিজরি)



