
অনিতা আয়ুব আরও বলে চলেন যে, “ডেনমার্কে আমরা চার সপ্তাহ একসঙ্গে ছিলাম। উনি চার তলায় থাকতেন আর আমি তিন তলায় থাকতাম। আর আপনারা বুঝতেই পারছেন, যখন একসঙ্গে এভাবে থাকা হয়, তখন প্রত্যেক দিন সকালে দেখাও হবে আর গোটা দিনটাই একসঙ্গেই প্রায় কেটে যাবে। ফলে একে অপরের সবটাই আপনাআপনি জানা হয়ে যায়। তাঁকে একজন পুরুষ বন্ধু, একজন মা, একজন বাবা এবং একজন দাদা হিসেবে – সব কিছু হিসেবে গ্রহণ করে আমার কোনও সমস্যা হয়নি।”

