অন্য ১৫ বছর বয়সী কিশোরকেও একই শাস্তি দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ওই দুই কিশোরীকে তিনবার করে ধর্ষণ এবং অশালীন ছবি তোলার চারটি অভিযোগ ছিল।
এছাড়া ২০২৫ সালের জানুয়ারির হামলার ঘটনায় অন্য এক আসামিকে ধর্ষণে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে ১৪ বছর বয়সী আরেক কিশোরকে ১৮ মাসের কিশোর পুনর্বাসন আদেশ দেওয়া হয়।
রিফর্ম ইউকে পার্টির সংসদ সদস্য রবার্ট জেনরিক বলেছেন, এই রায়ে ন্যায়বিচার হয়নি। তিনি বলেন, ‘যদি কোনো বিচারক চরম ভুল করে থাকেন, যা আমার মনে হয় এই মামলার ক্ষেত্রে ঘটেছে, তবে এর জন্য তাঁদের জবাবদিহি করা উচিত।’
কনজারভেটিভ পার্টির নেত্রী কেমি ব্যাডেনক শুক্রবার বলেন, এই ঘটনায় তিনি ‘অত্যন্ত মর্মাহত’ করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘অপরাধ এর চেয়ে গুরুতর আর হতে পারে না, অথচ এর জন্য যে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তা আদতে কোনো শাস্তিই নয়।’



