এসি ব্যবহারের আরেকটি বড় প্রভাব পড়ে শরীরের আর্দ্রতার ওপর। এসি বাতাসের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ঠোঁট ফেটে যাওয়া কিংবা চোখে জ্বালাপোড়া হতে পারে। যাঁরা দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন, তাঁদের মধ্যে ‘ড্রাই আই’ সমস্যাও বেশি দেখা যায়। একই সঙ্গে অজান্তেই শরীরে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন তৈরি হতে পারে, কারণ ঠান্ডা পরিবেশে সাধারণত তৃষ্ণা কম লাগে।
শ্বাসযন্ত্রের ক্ষেত্রেও কিছু ঝুঁকি রয়েছে। এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার না করলে সেখানে ধুলা, ফাঙ্গাস ও জীবাণু জমে যেতে পারে। এই দূষিত বাতাস দীর্ঘদিন শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে অ্যালার্জি, হাঁপানি বা অন্যান্য শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাদের আগে থেকেই শ্বাসনালির সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।



