শিক্ষক দিবসের সেই চরম নাজেহাল অবস্থা সাইলেন্সারের অহংবোধে তীব্র আঘাত হানে। অনুষ্ঠান শেষে র্যাঞ্চো দাস ও তার বন্ধুদের সামনে দাঁড়িয়ে সাইলেন্সার একটি খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। সে ঘোষণা করে, ঠিক ১০ বছর পর এই ৫ সেপ্টেম্বর তারা আবার এই ক্যাম্পাসে এক জায়গায় মিলবে এবং দেখবে, কে জীবনে বেশি সফল। আনন্দের সঙ্গে জ্ঞানার্জন করা র্যাঞ্চো, নাকি মুখস্থবিদ্যা দিয়ে সাফল্য অর্জনের পেছনে ছোটা সাইলেন্সার। সেই প্রতিশ্রুতির স্মারক হিসেবেই সে ক্যাম্পাসের দেয়ালে খোদাই করে লিখে রেখেছিল ৫ সেপ্টেম্বর। ফলে সিনেমার পরিপ্রেক্ষিতে এই তারিখ শ্রদ্ধার্ঘ্যের শিক্ষক দিবসের চেয়েও সাইলেন্সারের ব্যক্তিস্বার্থ, অহংকার ও ‘প্রতিশোধের’ প্রতীকে রূপান্তরিত হয়।
সিনেমা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঘটনাটি কৌতুকাবহ হলেও এর পেছনে রাজকুমার হিরানি যে সামাজিক বার্তাটি দিতে চেয়েছেন, তা অত্যন্ত নিখুঁত। সিনেমার দীর্ঘ ১৭ বছর পর আজও ৫ সেপ্টেম্বর এলে মানুষ যে এই দৃশ্য নিয়ে আলোচনা করে তার কারণ, এটি আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার গলদগুলো আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
লেখক: শিক্ষক