ব্যক্তিগত জীবন ও ভাঙতে বসা দাম্পত্য নিয়ে বিপর্যস্ত ডিটেকটিভ লু পেশাগত জায়গায় এই ‘ফ্রিওয়ে চোর’-কে ধরতে রীতিমতো খ্যাপাটে। তাঁর ধারণা, এসব ডাকাতি একজনই করছে, যে নিয়মগুলো হুবহু মেনে চলে। এলোমেলো পোশাক, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি আর ঠোঁটের কোণে অদ্ভুত হাসি নিয়ে রাফালোর অভিনয় কাল্ট ক্ল্যাসিক ‘কলম্বো’-র কথা মনে করিয়ে দেয়। সহকর্মীদের তাচ্ছিল্য গায়ে না মেখে, স্রেফ বুদ্ধি দিয়ে অপরাধীর অহংকার গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্যে তিনি অনবদ্য।
গল্পের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রটি হলো শ্যারন কলভিন। অস্কারজয়ী হ্যালি বেরি অত্যন্ত সাবলীলভাবে এই ইনস্যুরেন্স ব্রোকারের চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন। কর্মক্ষেত্রে বয়সের বৈষম্য ও লিঙ্গবৈষম্যের শিকার শ্যারন তার করপোরেট বসের ওপর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে মাইকের
সঙ্গে এক অদ্ভুত চুক্তিতে জড়ায়। মাইক যখন অপরাধ জগৎ থেকে চিরতরে বেরিয়ে যেতে চায়, ঠিক তখনই গল্পে নতুন মোড় আসে।



