তারকাদের পথ আটকে দিলেন ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা | চ্যানেল আই অনলাইন

তারকাদের পথ আটকে দিলেন ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা | চ্যানেল আই অনলাইন
Channeliadds-30.01.24Nagod

অস্কারে যুদ্ধ বন্ধের আকুতি তারকাদের

বিক্ষো্ভের কারণে পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় হলিউডের অনেক বড় তারকা সময়মতো অস্কার শোতে আসতে পারেননি।

অস্কার শুরুর আগ মুহূর্তে থিয়েটার থেকে এক মাইল দূরে সিনেরমা ডোমের রাস্তায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ বন্ধের দাবী নিয়ে বিক্ষোভ করেছে শত শত মানুষ। জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা লাল গালিচা এবং ডলবি থিয়েটারের প্রবেশপথে বাধা দেয়ায় নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট পরে শুরু হয় অস্কার সম্প্রচার।

কর্মসূচি থেকে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীরা গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি জানান। কর্মসূচি থেকে বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানোর পাশাপাশি হাতে লেখা ‘এখন যুদ্ধবিরতি’ প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে। তারা ‘প্যালেস্টাইনকে মুক্তি দাও’ বলে স্লোগান দেন।

বিক্ষো্ভের কারণে পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় হলিউডের অনেক বড় তারকা সময়মতো শোতে আসতে পারেননি। শো শুরু হয়ে যাওয়ার পরেও বলরুম ছিল স্বভাববিরোধী ভাবে খালি। বব ইগার বিক্ষোভের কারণে সৃষ্ট ট্রাফিক জ্যামে পড়ে এক ঘণ্টা দেরীতে শো-তে পৌঁছান। অনেক তারকাকেই হাই হিল পরে হেঁটে ডলি থিয়েটারে পৌছাতে হয়েছে। অনেক তারকা যেতে না পেরে গাড়িতেই অপেক্ষা করেছেন, তাদের জন্য পাঠানো হয়েছে গলফ কার্ট।

রেড কার্পেটে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিলি আইলিশ, রামি ইউসুফ, মাহেরশালা আলি, মার্ক রাফালো সহ অনেক তারকাই লাল পিন পরেছেন। হামাসের সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে এই পিন পরেন তারা।

Reneta April 2023

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আকুতি করে বক্তব্য দিয়েছেন এবছর প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে অস্কার জয়ী মাস্তিসলাভ চেরনভ। সেরা প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার জিতেছে তার ইউক্রেন যুদ্ধের উপর নির্মিত ‘টোয়েন্টি ডেজ ইন মারিওপোল’। ইউক্রেনের উপর রুশ অভিযান শুরুর পর বন্দর নগরী মারিওপোলে প্রথম ২০ দিনের ভিডিও ধারণ করেছেন ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত এসিসোসিয়েট প্রেসের এই সাংবাদিক। পুরস্কার হাতে নিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি এমন হতো যে এই পুরস্কারের বিনিময়ে রাশিয়া কখনোই ইউক্রেনে হামলা না করতো, আমাদের শহরগুলো দখল না করতো!’

গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের উপর নজিরবিহীন হামলা চালায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, এ হামলায় প্রায় এক হাজার দুই শ মানুষ নিহত হয়। হামাসের হাতে জিম্মি হয় দুই শরও বেশি মানুষ। জবাবে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পরে গাজায় স্থল অভিযানও শুরু হয়। এতে এখন পর্যন্ত ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে, দু’বছর হয়ে গেল ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করেছে রাশিয়া। পূর্ব ইউক্রেনের বেশ কিছু এলাকা এখন রুশ দখলে। লাগাতার রাশিয়ার গোলাবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে ইউক্রেনের অন্যত্র।

সূত্র: ভ্যারাইটি

Scroll to Top