ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আসিফ মাহমুদ | চ্যানেল আই অনলাইন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আসিফ মাহমুদ | চ্যানেল আই অনলাইন

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার ২৯ মার্চ রাত সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এ সময় সদ্য ঘোষিত মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, দলটির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপিসহ দলটির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক এবং ঐতিহাসিক ‘লং মার্চ টু ঢাকা’র ঘোষক হিসেবে পরিচিত। তিনি সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেছেন।

১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই কুমিল্লার মুরাদনগরে জন্ম নেওয়া আসিফ মাহমুদ ঢাকার নাখালপাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার রাজনৈতিক উত্থান ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ২০২৩ সালে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র শক্তি’র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে তিনি সারাদেশে পরিচিতি পান। বিশেষ করে ৫ আগস্টের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা তাকে গণঅভ্যুত্থানের একটি প্রতীকী মুখে পরিণত করে। তৎকালীন সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ২০২৪ সালে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সর্বকনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তিনি যুব ও ক্রীড়া এবং পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আসিফ মাহমুদের সমর্থকদের মতে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তার প্রার্থিতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। রাজপথে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা তাকে একজন কার্যকর মেয়র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

Scroll to Top