ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইওসি’তে অভিযোগ | চ্যানেল আই অনলাইন

ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইওসি’তে অভিযোগ | চ্যানেল আই অনলাইন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। এমন অভিযোগ এনে সুইজারল্যান্ডের এ নাগরিকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির কাছে একটি অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়েছে। অভিযোগ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক অলাভজনক সংস্থা ‘ফেয়ারস্কোয়ার’।

মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ‘ফেয়ারস্কোয়ার’ জানিয়েছে, ২০২০ সালে আইওসি’র সদস্য হওয়া ইনফান্তিনো বারবার অলিম্পিক সনদ ও আইওসি’র আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। সর্বশেষ ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড সংক্রান্ত বিষয়টি পরিচালনার ক্ষেত্রেও এমন ঘটেছে।

ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি লাল কার্ড পাওয়ার পরও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে তার খেলা নিশ্চিত হয়। ট্রাম্পের কাছ থেকে ইনফান্তিনোর কাছে একটি ফোন কল যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত আসে। যদিও ইনফান্তিনো জোর দিয়ে বলেছেন, ফিফার কমিটিগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীন। নিষেধাজ্ঞাটি কেন স্থগিত করা হয়েছিল সে বিষয়ে ফিফা কোন ব্যাখ্যা দেয়নি।

ফেয়ারস্কোয়ার বিবৃতিতে বলেছে, ‘জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তার রাজনৈতিক সমর্থন প্রকাশ করে অলিম্পিক কমিটির রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নিয়মগুলো বারবার লঙ্ঘন করেছেন। অভিযোগে বিস্তারিত যেমন উল্লেখ করা হয়েছে তাতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, ইনফান্তিনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি তার বক্তব্য বা অন্যান্য স্পষ্ট সমর্থনের মাধ্যমে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত আইওসি’র নিয়মাবলি অন্তত পাঁচবার স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছেন।’

‘আমরা আরও দুটি গুরুতর নিয়ম লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ জমা দিয়েছি যা আইওসি কে তদন্ত করে দেখার জন্য অনুরোধ করছি। এরমধ্যে প্রথমটি হল, ২০২৬ সালের ছেলেদের বিশ্বকাপ চলাকালীন ফিফার মাঠের শৃঙ্খলাবিষয়ক নিয়মাবলি এড়াতে বা বাইপাস করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক চাপের কাছে সম্ভবত নতি স্বীকার করা।’

‘দ্বিতীয়টি হল- ২০২৬ সালের ছেলেদের বিশ্বকাপের জন্য ইনফান্তিনো কর্তৃক ফিফার একটি ফ্যান সাইটের প্রচারণা চালানো, যা মূলত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বারা পরিচালিত একটি ডেটা সংগ্রহ অভিযানের অংশ বলে মনে হচ্ছে।’

ডিসেম্বরে ফেয়ারস্কোয়ার ফিফার এথিক্স কমিটির কাছে অনুরূপ একটি অভিযোগ জানিয়েছিল। জানায়, তাদের অভিযোগটি যে গৃহীত হয়েছে তার স্বীকৃতি তারা পেয়েছে, কিন্তু এরপর আর কোন তথ্য পায়নি।

Scroll to Top