এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ধারাবাহিক বাংলাদেশ। প্রথমবার দেশের বাইরে আফগানদের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিতেছে জাকের আলি অনিকের দল। এক ম্যাচ হাতে টি-টুয়েন্টিতে রেখেই টানা চতুর্থ সিরিজ জিতেছে টিম টাইগার্স।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় আফগানিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। টসে জিতে আফগানদের আগে ব্যাটে পাঠান টাইগার অধিনায়ক জাকের আলি অনিক। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৭ রানের সংগ্রহ গড়ে আফগানিস্তান। জবাবে নেমে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
রানতাড়ায় নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারে ফিরে যান তানজিদ তামিম। ৭ বলে ২ রান করেন। ৩.১ ওভারে ১৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইমন ফেরেন ২ রান করে। ৪.৪ ওভারে দলীয় ২৪ রানে সাইফ ফিরে যান। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৪ বলে ১৮ রান করেন।
চতুর্থ উইকেটে জাকের আলি অনিক ও শামীম পাটোয়ারী মিলে ৩৭ বলে ৫৬ রান যোগ করেন। ১০.৫ ওভারে জাকের আউট হলে জুটি ভাঙে। দুটি করে চার ও ছক্কায় ২৫ বলে ৩২ রান করেন জাকের। ১৪.১ ওভারে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২২ বলে ৩৩ রান করে ফিরে যান শামীম।
১০২ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর নাসুম আহমেদ ও নুরুল হাসান সোহান মিলে যোগ করে ১৭ বলে ২০ রান। ১২২ রানে নাসুম বোল্ড হয়ে ফেরেন ১১ বলে ১০ রান করে। ১২৭ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২ বলে ৪ রান করে সাইফউদ্দিন ফিরে যান। এরপর রিশাদ নেমেই ফিরে যান।
১২৯ রানে অষ্টম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পরে শরিফুলকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন সোহান। শরিফুল ৬ বলে ১১ এবং সোহান ২১ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন।
আফগান বোলারদের মধ্যে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৪ উইকেট নেন। রশিদ খান দেন দুটি উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে আফগানদের ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার সেদিকউল্লাহ অটল ও ইব্রাহিম জাদরান। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ৪৭ বলে ৫৫ রান। ৭.৫ ওভারে অটল ১৯ বলে ২৩ রান করে ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ১০.৩ ওভারে ৭১ জাদরানও ফিরে যান। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৭ বলে ৩৮ রান করেন এই ওপেনার।
পরের ওভারে ওয়াফিউল্লাহ তারাখিল ১ রান করে আউট হন। ৯০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় আফগানরা। ৯ বলে ১৪ রানে আউট হন দারবিশ রাসুলি। ১১৮ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ফেরেন। ২২ বলে ৩০ রান করেন এই ব্যাটার।
পরে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মোহাম্মদ নবি মিলে ইনিংস শেষ করেন। ওমরজাই ১৯ এবং নবি ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদ দুটি করে উইকেট নেন। শরিফুল নেন এক উইকেট।





