রংপুর রাইডার্সকে হারিয়ে আসর শুরু করেছিল ফরচুন বরিশাল। জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি পরের ম্যাচগুলোতে। খুলনা টাইগার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে হারের পর নিজেদের চতুর্থ ম্যাচেও হেরে বসেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে। এদিকে বরিশালকে ১০ রানে হারিয়ে আসরে নিজেদের তৃতীয় জয় পেল চট্টগ্রাম।
শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটে পাঠান বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। চট্টগ্রাম ওপেনার আভিস্কা ফের্নান্দোর ৯১ রানের ইনিংস ও কার্টিস ক্যাম্ফেরের ঝড়ো ক্যামিওতে নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৯৩ রানের সংগ্রহ গড়ে চট্টগ্রাম। জবাবে নেমে ৭ উইকেটে ১৮৩ রান তুলে ইনিংস থামে বরিশালের।
আগে ব্যাটে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ২১ রানে দুই ব্যাটারকে হারায় তারা। ৫ বলে ১২ রান করে ফিরে যান তানজিদ তামিম ও ৮ বলে ৪ রান করে ইমরানুজ্জামান। পরে শাহাদাত হোসেন দীপুকে নিয়ে ৭০ রানের জুটি গড়েন আভিস্কা। ১১.৫ ওভারে দলীয় ৯১ রানে ফিরে যান দীপু। দুটি চার ও এক ছক্কায় ২৯ বলে ৩১ রান করেন।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে নাজিবুল্লাহ জাদরানকে নিয়ে ৬৮ রান তোলেন আভিস্কা। একপ্রান্তে আভিস্কা তাণ্ডব চালালেও অন্যপ্রান্তে ধীরে রান তুলছিলেন জাদারান। আফগান অলরাউন্ডার অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৮.১ ওভারে দলীয় ১৫৯ রানে ফিরে যান ১৯ বলে ১৮ রান করে।
এরপর আভিস্কার পাশাপাশি ঝড় তোলেন কার্টিস ক্যাম্ফের। তিন চার ও দুই ছক্কায় ৯ বলে ২৯ রান করেন ক্যাম্ফের। আর পাঁচটি চার ও সাতটি ছক্কায় ৫০ বলে ৯১ রানে অপরাজিত থাকেন আভিস্কা।
বরিশালের হয়ে তাইজুল নেন দুটি এবং কামরুল ইসলাম ও ইয়ানিস কারিয়াহ নেন একটি করে উইকেট।
জবাবে নেমে বরিশালকে উড়ন্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ও তামিম ইকবাল। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৫ রান তুলে শেহজাদ ফিরেন যান। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ১৭ বলে ৩৯ রান করেন এই আফগান ব্যাটার।
১০.২ ওভারে দলীয় ৯১ রানে তামিম ফিরে যান।
দুটি চার ও এক ছক্কায় ৩০ বলে ৩৩ রান করেন টাইগার ওপেনার। একই ওভারে ফিরে যান সৌম্য সরকারও। দুই চারে ১৬ বলে ১৭ রান করেন সৌম্য।
এরপর ১০১ রানের মধ্যে আরও দুই ব্যাটারকে হারায় বরিশাল। পাঁচে নামা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দাঁড়াতে পারেননি। ১২.১ ওভারে দলীয় ৯৭ রানে ফিরে যান, করেন ৪ বলে ৩ রান। ইয়ানিস কারিয়াহ ফিরে যান একই ওভারের তৃতীয় বলে। ২ বলে ৪ রান করেন তিনি।
মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৫১ রান তোলেন মুশফিকুর রহিম। ১৭.২ ওভারে দলীয় ১৫২ রানে মিরাজ ফিরে যান। তিন চার ও দুই ছক্কায় ১৬ বলে ৩৫ রান করেন। ১৮.৩ ওভারে দলীয় ১৬২ রানে ফিরে যান মুশফিক। দুই চার ও এক ছক্কায় করেন ২২ বলে ২৩ রান। এরপর আব্বাস আফ্রিদী ও দুনিথ ওয়েল্লাগে ইনিংস শেষ করেন। আব্বাস অপরাজিত ছিলেন ৯ বলে ১১ রানে, আর ওয়েল্লাগে চার বলে ১০ রানে।
চট্টগ্রামের হয় কার্টিস ক্যাম্ফের নেন চার উইকেট। বিলাল খান নেন দুটি, এছাড়া আল আমিন হোসেন নেন একটি।



