নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর-পশ্চিম) মো. আলী হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার সাইফুলের কাছ থেকে ৫২টি মুঠোফোন উদ্ধার হয়েছে। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও সফটওয়্যার বিষয়ে তিনি দক্ষ। বিদেশেও তাঁর দক্ষ সহযোগী বন্ধু আছে। নিজে মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করতে না পারলে সহযোগী বন্ধুদের সহায়তা নিতেন। এ জন্য সাইফুল তাঁদের অর্থ দিতেন।
আলী হোসেন বলেন, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন সাইফুল। এরপর কিছুদিন শিক্ষকতাসহ বিভিন্ন চাকরি করেন। শিক্ষকতা করতে গিয়ে মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তি মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর পাল্টানোসহ কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে খুবই দক্ষ।
পুলিশের এই কমকর্তার ভাষ্যমতে, আইএমইআই নম্বর পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় চুরি ও ছিনতাই হওয়া মুঠোফোন সহজে উদ্ধার করতে পারে না পুলিশ।



