টাইফয়েড টিকা নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে, সরকার কী করছে

টাইফয়েড টিকা নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে, সরকার কী করছে

চোখ রাঙাচ্ছে টাইফয়েড

টাইফয়েড যেকোনো বয়সেই হতে পারে, তবে শিশু ও কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। টাইফয়েডে পরিপাকতন্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়া, রক্তক্ষরণ, অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ, মস্তিষ্কে প্রদাহ, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া, পিত্তথলিতে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়া এবং স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

টিকা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একসময় টাইফয়েডে আক্রান্তদের ৩০ শতাংশ মারাই যেত। অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর মৃত্যু কমেছে। কিন্তু এখন অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ছে টাইফয়েডের ক্ষেত্রে।

২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকায় ডায়রিয়াজনিত রোগ ও পুষ্টিবিষয়ক পঞ্চদশ এশীয় সম্মেলনেও (অ্যাসকড) টাইফয়েড টিকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ওষুধ প্রতিরোধী রোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গর্ডন ডোগান সম্মেলনে জানান, ঢাকা শহরে টাইফয়েডের জীবাণু ওষুধ–প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে ঢাকার শিশুস্বাস্থ্য গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রধান অধ্যাপক সমীর সাহা জানান, অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হওয়ার সমাধান পাওয়া যেতে পারে টাইফয়েড টিকার ব্যবহারের মাধ্যমে। ওই সম্মেলনেই জানানো হয়েছিল, সরকার খুব শিগগির দেশে কলেরা, টাইফয়েড, এইচপিভি ও রোটাভাইরাসের টিকার ব্যবহার শুরু করবে।

Scroll to Top