সমাবেশ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো বেসরকারীকরণের নামে জাতীয় জ্বালানিসম্পদ ও বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাপনা বসুন্ধরাসহ ‘মাফিয়া করপোরেট গোষ্ঠী’র হাতে তুলে দেওয়া যাবে না, অবিলম্বে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট নিরসন করে সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সরকারি মূল্য নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে হবে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তামজিদ হায়দার চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রোনাল চাকমা, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতা অরুণাভ আশরাফ, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহমেদ চৌধুরী এবং বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বক্তব্য দেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ও গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক রাফিকুজ্জামান ফরিদ এবং সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত।