জিপিএস জ্যামিং: মধ্যপ্রাচ্যের এক অদৃশ্য যুদ্ধ | চ্যানেল আই অনলাইন

জিপিএস জ্যামিং: মধ্যপ্রাচ্যের এক অদৃশ্য যুদ্ধ | চ্যানেল আই অনলাইন

কল্পনা করুন, আপনি একটি লাইভ বা সরাসরি সম্প্রচারিত সামুদ্রিক মানচিত্র পর্যবেক্ষণ করছেন। মানচিত্র অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি ও এর আশেপাশের জলসীমায় শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের কথা। কিন্তু আপনি বিস্ময়ে লক্ষ্য করলেন, জাহাজগুলো সাগরের বদলে শুকনো ডাঙার ওপর দিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে! শুধু তাই নয়, অনেকগুলো জাহাজ মিলে মানচিত্রের ওপর একেবারে নিখুঁত, অস্বাভাবিক সব বৃত্তাকার রূপ ধারণ করে জটলা পাকিয়ে আছে। এটি কোনো বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর দৃশ্য নয়, বরং ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতারের উপকূলীয় জলসীমায় বর্তমানে ঘটে চলা এক অভাবনীয় বাস্তব দৃশ্যপট। সামুদ্রিক গোয়েন্দা বিশ্লেষকদের কাছে মানচিত্রের এই অদ্ভুত আচরণ একটি স্পষ্ট ও ভয়ংকর বিপদের ইঙ্গিত। আর তা হলো ‘জিপিএস জ্যামিং’ বা কৃত্রিমভাবে অবস্থান নির্ণায়ক সংকেতে বাধা প্রদান।

মেরিটাইম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রতিষ্ঠান ‘উইন্ডওয়ার্ড’-এর জ্যেষ্ঠ মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স বিশ্লেষক মিশেল উইজ বকম্যান এই দৃশ্যপটটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করার সময় এতটাই অবাক হয়েছিলেন যে, তার মুখ থেকে অজান্তেই বেরিয়ে আসে, “হায় ঈশ্বর!”। হরমুজ প্রণালির এই মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে তিনি প্রায় ৩৫টি ভিন্ন ভিন্ন অদ্ভুত ক্লাস্টার বা জাহাজের জটলা শনাক্ত করেছেন। বাস্তব জগতে বিশাল আকারের জাহাজগুলো কখনোই এমন নিখুঁত বৃত্তাকারে এবং ঘনিষ্ঠভাবে জড়ো হয়ে থাকে না, আর ডাঙার ওপরে ভেসে বেড়ানোর তো কোনো প্রশ্নই আসে না। মূলত এই জাহাজগুলোর জিপিএস স্থানাঙ্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিঘ্ন ঘটানো হয়েছে, যার ফলে মানচিত্রে এদের প্রকৃত অবস্থান সম্পূর্ণ গোপন হয়ে গিয়ে এমন অবাস্তব জায়গা দেখাচ্ছে।

আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় যুদ্ধের সংজ্ঞায় এক বিশাল পরিবর্তন এসেছে। যুদ্ধ এখন আর কেবল প্রথাগত বুলেট, বোমা বা কামানের গোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভও এখন যুদ্ধের ময়দানে এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছে। খালি চোখে অদৃশ্য এই জিপিএস জ্যামিং ব্যাপক মাত্রায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে মুহূর্তের মধ্যে অকেজো করে দিতে পারে এবং ডেকে আনতে পারে প্রাণঘাতী ও ভয়াবহ সব দুর্ঘটনা।

ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বা ‘ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার’-এর এই কৌশলটি অবশ্য একেবারে নতুন নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপের আকাশপথেও জিপিএস জ্যামিংয়ের প্রভাব দেখা গেছে, যার মধ্যে খোদ ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতির ব্যবহৃত একটি বিমানও এই জ্যামিংয়ের শিকার হয়েছিল। এছাড়া, ইউক্রেন যুদ্ধে জিপিএস জ্যামিং এখন একটি দৈনন্দিন ও সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আর বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের এই অদৃশ্য ফ্রন্টলাইন আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।

হরমুজ প্রণালি এবং এর আশেপাশের জাহাজগুলোর ওপর বর্তমানে যে হস্তক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, তা বিশ্লেষক বকম্যানের জন্য একেবারেই নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। গত বছর ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার ১২ দিনের যুদ্ধের সময়ও এই একই অঞ্চলে অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম বা এআইএস-এর ওপর জ্যামিংয়ের প্রভাব তিনি দেখেছিলেন এবং বাল্টিক সাগরেও জাহাজ চালকদের এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, “এবারের মাত্রা একেবারে অন্য পর্যায়ের”। সমুদ্রযাত্রা এবং এর সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই জ্যামিং যে কতটা ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে পাকিস্তানের ন্যাশনাল হাইড্রো গ্রাফিক অফিসও এই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সতর্কতা জারি করেছে।

এই বিপদের প্রকৃত মাত্রা বুঝতে হলে সাগরে জাহাজ চলাচলের ভৌত বিজ্ঞানটি বুঝতে হবে। সাগরে চলমান জাহাজগুলো একে অপরের সাথে সংঘর্ষ এড়াতে মূলত এআইএস ব্যবস্থার ওপর গভীরভাবে নির্ভর করে। কল্পনা করুন, লক্ষাধিক টন জ্বালানি তেল বহনকারী ৩০০ মিটার লম্বা একটি অতিকায় ট্যাংকার সাগরের বুক চিরে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বিশাল ভরের জাহাজটিকে হঠাৎ করে ঘোরানো বা থামানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়; পুরোপুরি গতিপথ পরিবর্তন করার আগে জাহাজটিকে বেশ কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। এই অবস্থায় জিপিএস সিগন্যাল কাজ না করলে কাছাকাছি থাকা অন্যান্য জাহাজের সঠিক অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না, ফলে সংঘর্ষের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে বা যখন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসে, তখন এই ঝুঁকি রূপ নেয় এক নিশ্চিত মৃত্যুফাঁদে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সারের বিশেষজ্ঞ অ্যালান উডওয়ার্ড এই সংকটকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন, “সমস্যাটা আপনি কোথায় যাচ্ছেন তা নিয়ে নয়, বরং অন্য সবাই কোথায় যাচ্ছে তা না জানাটাই আসল বিপদ”।

এখন একটি অনিবার্য প্রশ্ন সামনে আসে। এই বিশাল মাত্রার জ্যামিংয়ের নেপথ্যের কারিগর আসলে কারা? আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি, তবে সামরিক বিশ্লেষকদের প্রবল সন্দেহ, জাহাজ চলাচলে এই মারাত্মক বিঘ্ন ঘটানোর পেছনে ইরানের সরাসরি হাত রয়েছে। এই সন্দেহের একটি বড় কারণ হলো, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজে হামলা চালানোর প্রকাশ্য হুমকি ইরান আগেই দিয়ে রেখেছে। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের সহযোগী ফেলো থমাস উইথিংটনের মতে, ইরান এই কাজে যে গ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম (GNSS) বা জিপিএস জ্যামিংয়ের সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করছে, তা সম্ভবত তাদের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অথবা রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে সংগ্রহ করা। অন্যদিকে, ভূ-রাজনৈতিক এই খেলায় আরেকটি সম্ভাবনাও প্রবল। উইথিংটন ধারণা করেন যে, এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীও ড্রোন এবং জিএনএসএস-নিয়ন্ত্রিত অস্ত্রের সম্ভাব্য হামলা থেকে নিজেদের ঘাঁটি, কর্মী এবং নৌ-সম্পদ রক্ষা করতে পাল্টা জ্যামিং সিস্টেম ব্যবহার করছে। অবশ্য মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ এবিষয়ে অপারেশনাল নিরাপত্তার অজুহাতে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

নিরাপত্তার এই অদৃশ্য বেড়াজাল ভেদ করে জ্যামিং শনাক্ত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জেফার ডট এক্সওয়াইজেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা শন গোরম্যান এই চ্যালেঞ্জটিই গ্রহণ করেছেন। বিমান থেকে পাওয়া ডেটা জ্যামিং শনাক্তকরণের একটি বড় মাধ্যম হলেও, সংঘাতের কারণে বর্তমানে ইরানের আকাশপথ বন্ধ থাকায় গোরম্যানকে ভিন্ন পথ অবলম্বন করতে হয়েছে। তিনি স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত রাডার ডেটা বিশ্লেষণ করে ইরানে জ্যামিংয়ের ঘটনা শনাক্ত করেছেন। গোরম্যান জানান, জ্যামিং ডিভাইসগুলো রাডার সিগন্যালে তাদের তৈরি করা ব্যাঘাতের একটি সুস্পষ্ট ছাপ রেখে যায়, যার মাধ্যমে এই জ্যামিংয়ের কেন্দ্রবিন্দুগুলো খুঁজে বের করা সম্ভব হয়। এর আগে ২০২৪ সালে ইউক্রেনেও তিনি এবং তার সহকর্মীরা ড্রোনের সাথে স্মার্টফোন যুক্ত করে জিএনএসএস সিগন্যালের ব্যাঘাত মেপে জ্যামারগুলোর অবস্থান নিখুঁতভাবে শনাক্ত করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে গোরম্যান নিজেই এই জ্যামিংয়ের অভাবনীয় ক্ষমতা ও বিস্তৃতি দেখে বিস্মিত হয়েছেন।

তবে আশার কথা হলো, এই অদৃশ্য হুমকির বিপরীতে প্রযুক্তি বসে নেই। জিপিএস জ্যামিংয়ের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তির আবির্ভাব ঘটছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্যামিং শনাক্ত করে বাধামুক্ত ফ্রিকোয়েন্সিতে স্থানান্তরিত হওয়া এর একটি অন্যতম প্রধান উপায়।

যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘রেথিয়ন ইউকে’ এই লক্ষ্যে ‘ল্যান্ডশিল্ড’ নামক একটি ছোট আকারের অ্যান্টি-জ্যামিং অ্যান্টেনা সিস্টেম তৈরি করেছে। মাত্র একটি আইস হকি পাকের সমান ছোট এই যন্ত্রটি গাড়ি থেকে শুরু করে বিমানেও স্থাপন করা যায়, যা জ্যামিং প্রতিরোধ করতে একাধিক চ্যানেল ব্যবহার করে। প্রতিষ্ঠানটির ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টর অ্যালেক্স রোজ-পারফিট জানিয়েছেন, বর্তমানে বিশ্ববাজারে তাদের এই অ্যান্টি-জ্যামিং পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আবার জিপিএস-এর ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বিকল্প পথ খুঁজছে। অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাডভান্সড নেভিগেশন’ এমন একটি সিস্টেম উদ্ভাবন করেছে, যা জাইরোস্কোপ এবং অ্যাক্সেলেরোমিটারের রিডিংয়ের ওপর ভিত্তি করে যানবাহনের নিখুঁত অবস্থান নির্ণয় করতে সক্ষম, যে প্রযুক্তিটি আমরা আমাদের স্মার্টফোনের স্ক্রিন ঘোরানোর ক্ষেত্রে দেখে থাকি। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ক্রিস শ জানান, জিপিএস সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়লে তারা বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে স্যাটেলাইট ইমেজের সাথে চারপাশের ছবির উন্নত প্রক্রিয়াজাতকরণ মিলিয়ে দেখা, কিংবা কম্পিউটারের মাধ্যমে আকাশের তারার অবস্থান বিশ্লেষণ করে পথ চেনা। ক্রিস শ মনে করেন, তারার অবস্থান দেখে পথ চেনার পদ্ধতিটি বেশ সাশ্রয়ী হলেও এটি খুব একটা নির্ভুল নয়; তাই সঠিক অবস্থান জানার জন্য একাধিক প্রযুক্তির সমন্বিত ব্যবহার অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, সামরিক বাহিনীগুলো এসব দুর্বলতা কাটাতে ‘এম-কোড’ নামক এক বিশেষ ধরনের অত্যন্ত সুরক্ষিত ও এনক্রিপ্টেড জিপিএস ব্যবহার করে, যা জ্যাম করা প্রায় অসম্ভব।

ইরানের উপকূলে এই জ্যামিংয়ের ঘটনা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত জিপিএস প্রযুক্তির দুর্বলতাকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। বর্তমান জিপিএস সিস্টেমগুলোতে ব্যবহৃত সিগন্যালগুলো অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় এদের সহজেই জ্যাম করা যায়। রয়্যাল ইনস্টিটিউট ফর নেভিগেশনের পরিচালক র‍্যামসি ফ্যারাঘের সতর্ক করে বলেন যে, সাগরে এই জ্যামিংয়ের ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে তিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি ইতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। তার মতে, জ্যামিংয়ের এই ক্রমবর্ধমান প্রাদুর্ভাব অচিরেই প্রযুক্তি বিশ্বকে আরও সুরক্ষিত ও এনক্রিপ্টেড বিকল্প উদ্ভাবনে বাধ্য করবে। তিনি এর একটি চমৎকার তুলনা টেনেছেন ইন্টারনেট জগতের সাথে। একসময় ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলো সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ছিল, কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে আজ তা পাসওয়ার্ড-সুরক্ষিত নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত হয়েছে; জিপিএস প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও ঠিক এমন বিবর্তনই ঘটতে যাচ্ছে। ফ্যারাঘেরের ভাষায়, “খুব শিগগিরই আমরা উন্মুক্ত জিএনএসএস সিগন্যাল ব্যবহারের এই যুগের দিকে ফিরে তাকাবো এবং ভাববো, ‘হায় ঈশ্বর, আমরা সত্যিই বোকা ছিলাম, এটা মোটেও কোনো বুদ্ধিমানের কাজ ছিল না।”

(এই লেখাটি বিবিসির প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিবেদক ক্রিস বারানিউকের লেখা ‘GPS jamming: The invisible battle in the Middle East’ প্রতিবেদনের অবলম্বনে অনূদিত।)

Scroll to Top