এটা সত্যি যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেখানে আইনি ও সাংবিধানিক প্রশ্নটি রয়েছে। তবে এটাও অস্বীকারের কোনো উপায় নেই যে চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক পথে নিয়ে যাওয়ার যে সুযোগ তৈরি করে দেয়, তার ধারাবাহিকতাতেই গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি সুষ্ঠু, পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নির্বাচিত সংসদ ও জনপ্রতিনিধিদের ওপর জনগণের প্রত্যাশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নাগরিকেরা প্রত্যাশা করেন, বাংলাদেশের রাজনীতি পুরোনো ধারা থেকে বেরিয়ে আসবে। রাজপথ নয়, জাতীয় সংসদ হবে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
ঈদের ছুটি শেষে সংসদের পরবর্তী বৈঠক বসবে ২৯ মার্চ। আমরা আশা করি, সরকারি দল ও বিরোধী দল দুই পক্ষই সংবিধান, আইনকানুন ও গণ–অভ্যুত্থানের জন–আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং আইনপ্রণেতারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক অবসানের একটি পথ বের করবেন।


