জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি, ইরানের নারী ফুটবলারদের আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান ট্রাম্পের | চ্যানেল আই অনলাইন

জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি, ইরানের নারী ফুটবলারদের আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান ট্রাম্পের | চ্যানেল আই অনলাইন

অস্ট্রেলিয়া চলমান নারী এশিয়ান কাপ ফুটবলে গ্রুপপর্ব থেকেই বাদ পড়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেই টুর্নামেন্ট খেলতে আসে দলটি। আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দেশটির পাঁচ ফুটবলার জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানান। এরপরই তাদের বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দেয়া হয় ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে। তাতে দেশে ফিরলে তাদের জীবনাশের হুমকিও দেখছেন অনেকে। এবার ওই পাঁচ ফুটবলারকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে অস্ট্রেলিয়া সরকারকে অনুরোধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, জাতীয় সঙ্গীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানো খেলোয়াড়রা যদি ইরানে ফিরে যায় তাহলে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আশ্রয় দিতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া যদি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন এতে।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের জাতীয় নারী ফুটবল দলকে জোর করে ইরানে ফেরত পাঠানোর অনুমতি দিয়ে অস্ট্রেলিয়া একটি ভয়াবহ মানবিক ভুল করছে, যেখানে তাদের সম্ভবত হত্যা করা হবে। এটা করবেন না, প্রধানমন্ত্রী, আশ্রয় দিন। আপনি যদি না করেন তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিয়ে যাবে। এই বিষয়ে আপনার মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।’

এদিন কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্টে টিম হোটেলে উত্তেজনাকর সৃষ্টি হয়। খেলোয়াড়রা যখন ইরানে ফেরার জন্য বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য বাসে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন যেখানে ইরানি সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন।

বিক্ষোভকারীরা কিছুক্ষণের জন্য টিম বাস আটকে রাখে, খেলোয়াড়দের সাহায্যের জন্য ‘আমাদের মেয়েদের বাঁচাও’ লেখা সংবলিত প্লে-কার্ড দেখাতে বলা যায়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দেশে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানানো ইরান নারী দলের ৫ ফুটবলার পুলিশের সহায়তা পাচ্ছেন। তাদেরকে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের সুরক্ষায় নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক কুইন্সল্যান্ডে গিয়ে খেলোয়াড়দের সাথে কথা বলবেন এবং মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে একটি বিবৃতি দেবেন।

ফিফার একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ইরানের জাতীয় নারী দলের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা ফিফার অগ্রাধিকার। আমরা দলের পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি, যার মধ্যে ফুটবল অস্ট্রেলিয়াও অন্তর্ভুক্ত।’

Scroll to Top