জাতির আত্মানুসন্ধানের সাংস্কৃতিক পথরেখা

জাতির আত্মানুসন্ধানের সাংস্কৃতিক পথরেখা

রবীন্দ্রনাথ যদিও ‘কৃষ্টি’ শব্দটি মানতে চাননি, তাঁর লেখার ভেতর দিয়ে কৃষ্টির ধারণাই প্রতিফলিত হয়েছে।

বইটির প্রবন্ধগুলো, যেমন ‘বাংলাদেশের কালচার’, ‘পাক-বাংলার রেনেসাঁ’, ‘শিক্ষার মিডিয়াম’, ‘আমাদের স্বপ্নের শহীদ মিনার’ কিংবা ‘বাংলাদেশের জাতীয় আত্মা’—সব কটিই একে অপরের সঙ্গে ভাবগতভাবে যুক্ত। এখানে সাহিত্য, ভাষা, শিক্ষা, ধর্ম, গ্রাম-শহর সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক আন্দোলন—সবই কালচারের আলোকে বিশ্লেষিত হয়েছে। আবুল মনসুর সাহিত্যের ভূমিকা সম্পর্কে যে ধারণা পোষণ করেন, তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সাহিত্য তাঁর কাছে জাতির জীবনবোধ ও সামাজিক অভিজ্ঞতার সর্বোত্তম প্রকাশ। তিনি বিশ্বাস করতেন, সাহিত্যের মাধ্যমেই একটি জাতি নিজেকে চিনতে শেখে এবং রাজনৈতিক মুক্তির পথও সুগম হয়।

Scroll to Top