অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন কমিশনের আরেক সদস্য অধ্যাপক ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা পদত্যাগ করেছেন।
শনিবার ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী এই অধ্যাপক।
এর আগে জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাফরুহি সাত্তার পদত্যাগ করেন। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলাভবনের নিচে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না। সিদ্ধান্ত ছিল মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনার কিন্তু তা না করে ম্যানুয়ালি গণনা করা হয়েছে, যা একটি বড় অনিয়ম।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের প্রত্যাশার ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন ফলাফল চাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের সমগ্র প্রক্রিয়াকে যেভাবে বিতর্কিত করা হয়েছে এবং ত্রুটিগুলো সংশোধনের যে সুপারিশগুলো দেয়া হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হয়নি। আমার দেওয়া অনেক মতামত পরিবর্তন করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেক অনিয়ম ও মারাত্মক ত্রুটি দেখেছি, যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। শুক্রবার বিকেল ৪টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের আহ্বানে অনুষ্ঠিত সভায় ভোট গণনা আপাতত স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু বিশেষ কিছু কারণে আমার মতামত গ্রহণে তারা অপারগতা প্রকাশ করেছেন।’
এ নির্বাচন কমিশন সদস্য বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আমার মতামতের সুরাহা না করেই ভোট গণনা শুরু করে, তখন আমি আমার মতামত লিখিতভাবে জানিয়েছি। সময় খুব কম হওয়ায় আমার পক্ষে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। সে কারণে আমি নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিচ্ছি।




