জমি কেনার আগে সরকারের অনুমোদন নেননি বেনজীর

জমি কেনার আগে সরকারের অনুমোদন নেননি বেনজীর

যদিও ওই ভিডিও বার্তায় সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলেছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি।

সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির ১৬ নম্বর ধারায় বলা হয়, সরকারি কর্মচারী কোনো ব্যাংক বা অন্য কোনো কোম্পানি স্থাপন, নিবন্ধন বা ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু বেনজীর আহমেদের কয়েকটি কোম্পানির অংশীদার হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের যেসব সম্পদের হিসাব এখন বের হচ্ছে, এতে বোঝা যায় তিনি এই ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। সরকারের কাছে আবেদনের সময় বলতে হয়, পরিবারের কেউ যদি ব্যবসা করতে চায়, সে টাকার উৎস কী। তিনি সে ঝুঁকি নেননি। কারণ, সরকারি চাকরি করে এত বিপুল সম্পত্তির মালিক হওয়ার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে বেনজীর আহমেদের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে কল করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি।

সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণকেন্দ্রের (বিপিএটিসি) সাবেক রেক্টর এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধানে সাবেক আইজিপির যে পরিমাণ সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে, সেটি অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, তাঁর প্রভাবে যদি স্ত্রী ও সন্তানের ব্যবসা হয়, আয় হয়, সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের কর্তব্য।

Scroll to Top