সে রাতে আমাদের অন্য সহযাত্রীদের অনেকেই এসে পৌঁছান। কিন্তু হোটেলের রেস্তোরাঁয় রাত সাড়ে আটটার পর খাবারের অর্ডার নিতেই চায় না। রান্নাঘর রাত ১০টায় বন্ধ হয়ে যায় বললেও তার আগে থেকেই ওয়েটাররা নিখোঁজ হয়ে যান। কে, কীভাবে, কোথায় ডিনার করলেন, তা জানি না। পরদিন সকালে ব্রেকফাস্টের সময় সবার সঙ্গে দেখা হয়। এখন এ হোটেলে আমাদের দলটাই সবচেয়ে বড়। অনেকেই দ্রুত ব্রেকফাস্ট সেরে গাইডদের সঙ্গে বসে যাঁর যাঁর সরঞ্জাম মিলিয়ে নেন। কী কী জিনিস ভাড়া নিতে হবে, তার তালিকা করে নিয়ে সবাই রওনা হয়ে যান। সেবাস্তিয়েন, তাহসিন আর আমি হেঁটে হেঁটে আশপাশের এলাকাটা ঘুরে দেখি। একটা চমত্কার রিসোর্ট দেখে তার ভেতরে গিয়ে সেখানকার খোলা উদ্যানে বসি। উজ্জ্বল রোদ, গাছের ছায়া আর গরম কফির সঙ্গে উপভোগ করি নিজেদের গল্প ও আলসেমি।



