চাষাবাদের চেয়ে হাঁস–মুরগিসহ গবাদিপশু পালনেই বেশি আয় করেন ক্ষুদ্র কৃষকেরা

চাষাবাদের চেয়ে হাঁস–মুরগিসহ গবাদিপশু পালনেই বেশি আয় করেন ক্ষুদ্র কৃষকেরা

বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, ক্ষুদ্র কৃষকদের আয়ের প্রধান উৎস হলো গবাদিপশু পালন। এই খাত থেকে তাঁরা বছরে গড়ে ২৮ হাজার ৪২১ টাকা আয় করতে পারেন, যা তাঁদের বছরের মোট আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ। অর্থাৎ ক্ষুদ্র কৃষকের হাঁড়িতে চাল ফোটাতে বা সংসারের দৈনন্দিন খরচ জোগাতে কৃষিজমির ফসলের চেয়ে গোয়ালের গরু–ছাগল কিংবা আঙিনার হাঁস–মুরগিই সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।

পশুপালনের তুলনায় জমিতে ফসল ফলিয়ে ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় বেশ কম। স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের ফসল থেকেও ক্ষুদ্র উৎপাদকদের আয় বেশ সীমিত। প্রতিবেদনে দেখা যায়, আমন, বোরো, গম বা শাকসবজির মতো অস্থায়ী ফসল থেকে ক্ষুদ্র উৎপাদকদের বছরে আয় গড়ে ৪ হাজার ৫৯১ টাকা। আর ফলমূল, চা বা আম–কাঁঠালের মতো স্থায়ী বাগান বা ফসল থেকে তাঁদের বার্ষিক আয় আরও কম, যা গড়ে মাত্র ২ হাজার ৩৩১ টাকা।

তবে যেসব ক্ষুদ্র কৃষক মাছ চাষ ও বনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের আয়ও ফসল চাষের চেয়ে বেশি। যেমন মাছ চাষে যুক্ত ক্ষুদ্র কৃষকদের বছরে গড় আয় হয় ১২ হাজার ৬৭০ টাকা। আর বনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র কৃষকদের বার্ষিক আয় ১০ হাজার ৮৯২ টাকা। বনশিল্পের আয় বলতে কৃষকের নিজের জমিতে বা বন থেকে গাছ, গাছের গুঁড়ি, চারাগাছ, বাঁশ, বেত, হোগলা পাতা, বনজ ফলমূল, মধু প্রভৃতি বিক্রি থেকে আসা আয়কে বোঝায়।

Scroll to Top