এ মামলায় শেখ শাহরিয়ার ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়। ২ নম্বরে রাখা হয় গোলাম রসুলকে। অপর তিন আসামি হলেন খুলনা সিটির দৌলতপুরের রিপন (৪৫), রায়হান শেখ (৩২) ও রিয়াজুল ইসলাম (২৭)।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি শাহরিয়ার ইসলামের চাচা শহীদকে ২০১৭ সালে হত্যা করে গোলাম রব্বানীর বাহিনী। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন হত্যা মামলা শাহরিয়ারকে আসামি করে জেল খাটানো হয়। এর প্রতিশোধ নিতে একাধিকবার গোলাম রব্বানীকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়েও ব্যর্থ হন শাহরিয়ার। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে গোলাম রব্বানীকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করে শাহরিয়ার ও রিয়াজ। ৭ জানুয়ারি গোলাম রব্বানী কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। ৯ জানুয়ারি কক্সবাজার আসেন শাহরিয়ার, রিপন, রায়হান শেখ ও রিয়াজুল ইসলাম। তাঁরা ওঠেন শহরের সৈকত বহুমুখী সমবায় সমিতির আবাসিক এলাকার কক্স কুইন রিসোর্টে। ওই দিন রাত ৮টা ২০ মিনিট থেকে ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সৈকতের হোটেল সি-গালের পশ্চিম পাশে ফুটপাতের ওপর গোলাম রব্বানীকে পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করে হত্যা করেন শাহরিয়ার।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ মৌলভীবাজারের একটি বাসা থেকে শাহরিয়ার, গোলাম রসুল ও ঋতু নামের এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করে। গত ১৫ জানুয়ারি রাতে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই তিন আসামি ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


