আওয়ামী লীগের অনুসারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপনারা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন, কিন্তু অন্য সাংবাদিকেরা তো প্রেসক্লাবে বসতে পারেন, এ প্রসঙ্গে মুরশালিন বলেন, ‘অন্য সাংবাদিকেরা সব পাতা। এদের কিছু করার ক্ষমতা নেই। পেছন থেকে আওয়ামী লীগের দোসরা যা বলবে, এরা তা–ই করবে।’
সংগঠনের সভাপতি সাবিয়ার রহমান (মিল্টন) গোদাগাড়ী পৌর যুবদলের নেতা। সাবিয়ার বলেন, তিনি প্রেসক্লাবে তালা লাগানোর পক্ষেও নন আবার সাংবাদিকতার আড়ালে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসন করার পক্ষেও নন। তিনি দাবি করেন, এখন যাঁরা সাংবাদিকতা করছেন, তাঁরা গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের দালালি করেছেন।
উপজেলা প্রেসক্লাব, গোদাগাড়ীর সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রেসক্লাব ভবন আমরা কষ্ট করে তিলে তিলে নির্মাণ করেছি। যাঁকে (আলমগীর কবির) নিয়ে আপত্তি, তাঁকে বাদ দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এখানে সাংবাদিকতার চর্চা হয়। তারপরও এটি দখলের চেষ্টা করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আমি থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিশ কোনো দায়িত্ব নিতে চায়নি। ইউএনওর কাছে গিয়েছিলাম, তিনিও এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’



