ফয়সাল জবানবন্দিতে আরও বলেন, রামপুরা ব্রিজের দিকে পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র অবস্থায় ছিল। গুলির শব্দ পেয়ে তিনি দৌড়ে উত্তর দিকে ৫০ হাতের মতো দূরে চলে যান। তখন তাঁর বন্ধু রাজীব তাঁকে ফোন দিয়ে জানান, মারুফ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি দৌড়ে মারুফের কাছে যান। তখন মারুফ তাঁকে বলেন, ‘মামা, আমাকে বাঁচাও।’ ফয়সাল দেখতে পান, মারুফের তলপেটের ডান পাশে গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগেই মারুফ মারা গেছেন।
সাক্ষ্য শেষে ফয়সাল বলেন, পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে তিনি জানতে পারেন, রেদোয়ান, রাফাত, রাশেদ, মশিউর ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাবুল তাঁর ভাগনে মারুফসহ ঘটনাস্থলে সংঘটিত অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তিনি এসব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।



