এজাহারে বলা হয়, ২০ মে জাতীয় সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রীর দরবার কর্মসূচি বানচাল করার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল। তারা ইনস্ট্রাক্টর কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যবহার করে সংগঠিতভাবে বিভিন্ন দাবিদাওয়া উত্থাপন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। সেখানে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে প্রশিক্ষণার্থীদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত নম্বর ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর দরবারকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করা হয়। ১৭ মে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমি, সফিপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা প্রায় ১৭৭ জন সদস্যের মধ্যেও এ চক্র সক্রিয় ছিল। তাদের মাধ্যমে ভাতা বৃদ্ধি, রেশন–সুবিধা, স্থায়ীকরণ, নিয়োগে অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সুবিধাসংক্রান্ত দাবি সামনে আনা হয়। এসব দাবি আদায়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চাপ সৃষ্টির পরিকল্পনা ছিল বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।



