গাজার দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় ফিলিস্তিনিদের চলাচলে ইসরায়েলের বাধা

গাজার দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় ফিলিস্তিনিদের চলাচলে ইসরায়েলের বাধা

২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। তখন থেকে গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি শুরুর আগপর্যন্ত উপত্যকাটির ২৪ লাখ বাসিন্দার বেশির ভাগই বাস্তুচ্যুত হন। এরপর যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন করে হামলা শুরু এবং এলাকা ছাড়তে ইসরায়েলের নির্দেশের পর আবার প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন ফিলিস্তিনিরা।

এমনই একজন গাজা নগরীর পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা আবু হাজেম খালেফ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সংগ্রামটা হলো ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়া। কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেব, তা আমরা জানি না। এখন গাজা নগরীর পশ্চিম দিকে যাচ্ছি। সেখানে গিয়ে কোনো একটি সড়ক খুঁজব, যেন একটি তাঁবু খাটিয়ে থাকতে পারি।’

গাজায় বড় অংশ ফিলিস্তিনিদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ২ মার্চ থেকে উপত্যকাটিতে ত্রাণ প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এতে করে উপত্যকাটিতে খাবার, পানি, জ্বালানি তেল ও ওষুধের মতো জরুরি পণ্য প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বাধা আসছে বলে জানিয়েছে ওসিএইচএ। এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার গাজায় নিজেদের কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।

Scroll to Top