এর কয়েক সপ্তাহ পর জেরুজালেমে একটি থানার সামনে নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন রোয়ি।
রোয়ির সঙ্গে নোয়া নামে তাঁর আরও এক বন্ধু ছিলেন। নীরব প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তাঁদের মুখ বাঁধা ছিল স্কচটেপ দিয়ে। এরপরও পুলিশ সে বিক্ষোভে চড়াও হয় ও বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে।
নোয়া বলেন, ‘আমি খুব ভালো করেই জানি, পুলিশ আমাদের সম্পর্কে জানে। তারা আমাদের ভালোভাবেই চেনে। তারা এটা জানে, আমরা বামপন্থী এবং এই কারণেই তারা আমাদের রাষ্ট্রদ্রোহী বলে বর্ণনা করে থাকে।’
যুদ্ধের বিরুদ্ধে সোচ্চার এমন ইসরায়েলিদের এভাবে রাষ্ট্রদ্রোহীর তকমা দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রতি বিদ্বেষও ছড়ানো হয়। আর এর মধ্য দিয়ে এসব ইসরায়েলির কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়ে থাকে।
মায়া জানালেন, কট্টর ডানপন্থী অনেক ইসরায়েলি অভিযোগ তুলেছিলেন, তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে হামাসের আঁতাত আছে। তিনি হামাসের কাছে ইসরায়েলের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য পাচার করেন। এসব মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাঁর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় প্রকাশ করেছিলেন এসব ইসরায়েলি।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে সোচ্চার ইসরায়েলিরা বলছেন, নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবি তুলে নেতানিয়াহু সরকার ও অন্য অনেক ইসরায়েলির রোষের মুখে পড়েছেন তাঁরা। তবে তাঁদের আশা, একদিন না একদিন তাঁদের এমন অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবেন অন্যরা। কারণ, এসব ফিলিস্তিনিও তো তাঁদের মতোই মানুষ।