গরমের আগেই লোডশেডিং শুরু, ঢাকার চেয়ে গ্রামে বেশি

গরমের আগেই লোডশেডিং শুরু, ঢাকার চেয়ে গ্রামে বেশি

গ্যাস থেকে উৎপাদন অর্ধেকের কম

দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে সরবরাহ করা হচ্ছে গড়ে ২৬৫ কোটি ঘনফুট। বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো হলেও তা পিডিবির চাহিদার তুলনায় অনেক কম।

পিডিবি বলছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে লোডশেডিংমুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দিনে ১২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে হবে। সর্বোচ্চ চাহিদার সময় গ্যাসের সরবরাহ ৯০ কোটি ঘনফুট হলে ১ হাজার ৬৭৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হবে। এতে সারা দেশে গড়ে দুই ঘণ্টার মতো লোডশেডিং করতে হতে পারে।

পেট্রোবাংলা বলেছে, গ্যাসের উৎপাদন নিয়মিত কমছে। তাই চাইলেও বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ খুব বেশি বাড়ানো যাবে না। এই মৌসুমে সর্বোচ্চ ৯৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হতে পারে। এতে ৫ হাজার ২২৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে পিডিবি। যদিও গ্যাস থেকে পিডিবির বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা আছে ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।

পিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁদের অন্তত ১০৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলে পৌনে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেত। তবে গতকাল বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৩ কোটি ঘনফুট। এমন পরিস্থিতি চলমান থাকলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় গ্যাস থেকেই দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হবে। তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাড়তি উৎপাদন করতে হবে। যদিও বকেয়া বিলের কারণে জ্বালানি তেল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো।

Scroll to Top