প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর (ইনফ্লুয়েন্সিং, ক্যাম্পেইন অ্যান্ড কমিউনিকেশন) নিশাত সুলতানা বলেন, সরকারের দিক থেকে নীতিমালার একটি কাঠামো প্রস্তুত করে বিশেষজ্ঞ বা অংশীজনদের যুক্ত করা হয়। কিন্তু এটা নীতিমালার খসড়া তৈরির শুরু থেকেই যুক্ত করা প্রয়োজন। নীতিনির্ধারকদের মানসিকতারও পরিবর্তন জরুরি।
আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ উছমান গনী বলেন, সমাজ পরিবর্তনে যাঁরা ভূমিকা রাখেন, তাঁদের ধর্মীয় বিষয়গুলো জানতে হবে। যার জন্য কাজ করা হচ্ছে, তাকে প্রতিপক্ষ না বানিয়ে পক্ষ ভেবে কাজ করা প্রয়োজন।
জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের সিনিয়র ম্যানেজার হাওয়া মুস্তাগফিরা এষা বলেন, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতায় নারী ও পুরুষ উভয়ের বিষয়গুলোই আসতে হবে। নীতিগুলো তৈরির ক্ষেত্রে সবার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) সহকারী অধ্যাপক নাছরিন আক্তার বলেন, যেসব সুপারিশ আসে, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেটা নিয়ে ভাবা প্রয়োজন। রাষ্ট্রীয় দর্শনে নারীর অধিকার থাকতে হবে। কোন বিষয়টা নারীবিদ্বেষী, কোনটায় নারীকে যৌনতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তার ব্যাখ্যা প্রয়োজন।
ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যাপ্তি ও প্রভাব অনেক শক্তিশালী। এসব প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারে সাক্ষরতার বিষয়ে ভাবতে হবে। স্কুল পর্যায়ে এসবের ওপর শেখাতে হবে। কনটেন্ট নির্মাণ করার সময় তাঁরাও জেন্ডার সংবেদনশীলতাকে মাথায় রাখেন জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে বিষয়গুলো নিয়ে আরও সতর্ক থাকবেন।