তাহলে লিখে কী হবে? কিছুই হবে না। অখ্যাতি জুটবে। নিন্দা করার লোক বেশি থাকবে। টাকার জন্য কেউ লিখবেন না। এটা অন্ধ মোহ। তাহলে কেন লিখব? বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘বলিয়া লিখিয়া যদি দেশের মানুষের উপকার করিতে পারো, সৌন্দর্য সৃষ্টি করিতে পারো, তাহলে লেখো।’
১৯৫৪ সালে জীবনানন্দ দাশ মারা গেছেন। এই যে এত বছর পরও ওনাকে আমরা মনে করি, এটা মোহ। এ জন্যই আমরা লিখি। আমি থাকব না। কিন্তু আমার লেখাটা থেকে যাবে। এ জন্য মানুষ লেখে।
যে ব্যক্তি কবিতা পড়ে, সিনেমা দেখে, শিল্প–সংস্কৃতির চর্চা করে, তাঁর পক্ষে কখনো কারও মাথায় বোমা ফেলা সম্ভব নয়। তাই আমাদের এগুলোর চর্চা করতে হবে। প্রচুর লিখতে হবে, পড়তে হবে। বাংলা সাহিত্য, ইংরেজি সাহিত্য, অনুবাদ, ক্ল্যাসিক সাহিত্য পড়তে হবে।
ছন্দ গুনে গুনে কেউ কবিতা লেখে না। প্রচুর কবিতা পড়তে হবে, মুখস্থ করতে হবে। আপনি যদি ১০০টি ভালো কবিতা মুখস্থ করতে পারেন, আপনি ভালো কবি হয়ে যাবেন।