কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন হপফিল্ড ও হিন্টন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন হপফিল্ড ও হিন্টন

জন হপফিল্ড ১৯৮২ সালে হপফিল্ড নেটওয়ার্কের ধারণা প্রকাশ করেন। আর ২০০০ দশকে প্যাটার্ন শনাক্ত করে নতুন প্যাটার্ন তৈরির জন্য বোল্টজম্যান মেশিনের ধারণাও দেন তিনি। বিজ্ঞানী জন হপফিল্ড বিশেষ একটি নেটওয়ার্ক উদ্ভাবন করেছেন। এই নেটওয়ার্ক বিভিন্ন তথ্যের নমুনা সংরক্ষণ করে আবার তৈরি করার জন্য বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে। আমরা নেটওয়ার্কের নোডকে পিক্সেল হিসেবে কল্পনা করতে পারি। হপফিল্ড নেটওয়ার্ক পদার্থবিজ্ঞানের কৌশল ব্যবহার করে। কণার পারমাণবিক ঘূর্ণনের বিষয়টিকে কাজে লাগিয়ে নেটওয়ার্ক কাজ করে। যখন হপফিল্ড নেটওয়ার্ককে কোনো বিকৃত বা অসম্পূর্ণ চিত্র দেওয়া হয়, তখন তা পদ্ধতিগতভাবে নোডের মাধ্যমে কাজ করে। তাদের মান আপডেট করে নেটওয়ার্কের শক্তি হ্রাস পায়। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যা খোঁজা হচ্ছে, তার মতো সংরক্ষিত চিত্র খুঁজে পেতে ধাপে ধাপে কাজ করে পুরো কাঠামো।

অন্যদিকে জিওফ্রে হিন্টন হপফিল্ড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নতুন নেটওয়ার্কের ভিত্তি তৈরি করেছেন। বোল্টজম্যান মেশিন নামের ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেন তিনি। এই পদ্ধতিতে ডেটার ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপাদান চিনতে পারে মেশিন। হিন্টন পরিসংখ্যানগত পদার্থবিজ্ঞান থেকে ধারণা নেন। যন্ত্রকে এমন উদাহরণ দিয়ে প্রশিক্ষিত করা হয় যা মেশিন চালানোর সময় উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। বোল্টজম্যান মেশিন বিভিন্ন চিত্র শ্রেণিবদ্ধ করতে বা যে ধরনের প্যাটার্নের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, তার নতুন উদাহরণ তৈরি করতে ব্যবহার করা যায়। হিন্টন এই কাজের ওপর ভিত্তি করে কাজ করেন। তাঁর এই কাজের ভিত্তিতেই মেশিন লার্নিংয়ের বর্তমান ধারা দেখা যাচ্ছে।

Scroll to Top