৩. অন্যের সম্মান রক্ষা
কৌতুক বা হালকা আলাপের ছলেও কাউকে খাটো করা, কারও শারীরিক ত্রুটি নিয়ে হাসাহাসি করা কিংবা কাউকে এমন কোনো উপনামে ডাকা, যা সে অপছন্দ করে—ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
আল্লাহ পারস্পরিক সম্মান রক্ষার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, কোনো পুরুষ যেন অপর কোনো পুরুষকে উপহাস না করে; কেননা যাকে উপহাস করা হচ্ছে, সে উপহাসকারীর চেয়ে আল্লাহর কাছে উত্তম হতে পারে…এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না।’ (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ১১)
৪. গিবত ও অপবাদ থেকে আত্মরক্ষা
কারও অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো দোষ বা দুর্বলতার আলোচনা করা, যা শুনলে সে কষ্ট পাবে—ইসলামি শরিয়তে তাকে ‘গিবত’ বা পরনিন্দা বলা হয়। এমনকি বিষয়টি যদি সত্যিও হয়, তবুও তা অন্যের সামনে প্রকাশ করা মহাপাপ (কবিরা গুনাহ)।
আল্লাহ–তাআলা গিবতের বীভৎসতা তুলে ধরে বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন কারও গিবত না করে। তোমাদের কেউ কি নিজের মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে? নিশ্চয়ই তোমরা তা অপছন্দ করো…।’ (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ১২)
আর যদি কারও নামে এমন কোনো দোষ প্রচার করা হয় যা তার মধ্যে নেই, তবে তা হবে জঘন্য অপবাদ, যার শাস্তি আরও কঠিন।