ওয়াশিংটনে যে অগ্রাধিকার নিয়ে যাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

ওয়াশিংটনে যে অগ্রাধিকার নিয়ে যাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

২০১৮ সালে বিন সালমান মনে করেছিলেন, যেহেতু সৌদি আরব নানা দিক থেকে আরব বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ, তাই তিনি চাইলে পুরো অঞ্চলের গতিপথও নির্ধারণ করতে পারবেন। তখন তিনি তরুণ এবং নেতা হিসেবে তুলনামূলকভাবে অনভিজ্ঞ। কিন্তু সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা সব সময় সফল হয়নি। হুতি বিদ্রোহীরা এখনো পরাজিত হয়নি, বরং ইয়েমেনের বড় অংশে তাদের প্রভাব আছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করার পরও সেখানে শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহ আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিরোধীদের দমন করার চেষ্টা উল্টো যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম, রাজনীতিক ও জনগণের কাছে ক্রাউন প্রিন্সের সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি করেছে।

এই অভিজ্ঞতাগুলো থেকে যুবরাজ সালমানকে বুঝতে পেরেছেন, আঞ্চলিক সংঘাতগুলো সহজে সমাধান হয় না। তাই তিনি মনোযোগ ঘুরিয়ে দিয়েছেন নিজের দেশে; অর্থনীতি ও সমাজকে উন্নত করার দিকে। তিনি এই সংঘাতগুলো সৌদি সীমান্ত থেকে দূরে রাখতে চান।

এই আধুনিকায়ন দুটি বিষয়ে নির্ভরশীল, যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। প্রথমটি হলো তেলের উচ্চ দাম, কারণ তার প্রকল্পগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল। দ্বিতীয়টি হলো, সংঘাত না থাকা। কারণ, যদি ইয়েমেন বা ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র আসে, তাহলে বিনিয়োগকারী বা পর্যটক সৌদি আরবে আসবেন না।

Scroll to Top