স্থানীয় ইতিহাসে উল্লেখ আছে, ফকিরবাড়ি মসজিদ প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর বাংলা ১২১৯ সনে (১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দ) জমিদার চন্দ্রশেখর চক্রবর্তী স্বপ্নাদেশ পেয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকায় পাষাণময়ী কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এর ফলে পাশাপাশি দুটি এলাকার নাম হয় ফকিরবাড়ি ও কালীবাড়ি। বরিশাল নগরে কালীবাড়ি ও ফকিরবাড়ি এলাকা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতি এখনো বজায় আছে।
ফকির করিম বকসের প্রতিষ্ঠিত ফকিরবাড়ি মসজিদ এবং জমিদার চন্দ্রশেখর চক্রবর্তীর প্রতিষ্ঠিত কালীমন্দিরের নাম অনুসারেই পরে ওই এলাকার দুটি সড়কের নাম রাখা হয় ‘কালীবাড়ি রোড’ ও ‘ফকিরবাড়ি রোড’।
ফকির শাহ করিম বকসের উত্তরাধিকারদের একজন শাহ সাঈদ নোমান। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক এই মসজিদ সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার জন্য মসজিদ সম্প্রসারণও করা হয়েছে। তবে মূল কাঠামো সংরক্ষণ করেই কাজটি করা হয়েছে। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসে এখানে ইফতারের আয়োজন করা হয়, যেখানে কয়েক শ মানুষ অংশ নেন।



