উদ্দীপকের আকলিমা খাতুন নিজের শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে অপরের সংসারের সেবা করেছেন। রহিমদের সংসারের সমৃদ্ধিতে আকলিমা খাতুনের অবদান অনস্বীকার্য। দীর্ঘ ৪০ বছরের পরিশ্রমে তিনি সংসারটিকে আগলে রেখেছেন। তাঁর দায়িত্বশীলতা ও অবদানেই রহিমদের বাড়িতে সমৃদ্ধি এসেছে, এদিক থেকে পরিবারের মানুষের উপকারে আত্মনিবেদিত হওয়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকের আকলিমা খাতুন আর ‘নিমগাছ’ গল্পের লক্ষ্মীবউয়ের মধ্যে সাদৃশ্য দেখা যায়।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘নিমগাছ’ গল্পে বর্ণিত লক্ষ্মীবউয়ের অবদানের দিকটি তুলে ধরলেও অন্যান্য দিক তুলে না ধরায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ হয়ে উঠেছে। ‘নিমগাছ’ গল্পে নিমগাছের প্রতীকী রূপের আড়ালে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশিত হয়েছে।
এখানে নিমগাছের উপকারী দিকের উল্লেখ করার মাধ্যমে সংসারের লক্ষ্মীবউয়ের তুলনা করা হয়েছে। যে অকাতরে সবার সেবা করে।
একদিন নতুন ধরনের একটি লোক লক্ষ্মীবউয়ের প্রশংসা করলে তার সঙ্গে লক্ষ্মীবউয়ের চলে যেতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু যেতে পারে না সংসারের সঙ্গে আবদ্ধ থাকায়।
উদ্দীপকের আকলিমা চরিত্রটির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে একজন পরোপকারী মানুষের চিত্র। উপকারের প্রতিদানস্বরূপ সাহায্যকারীর কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা লাভ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংসারে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আকলিমা খাতুনকে উপযুক্ত মর্যাদা দিয়েছে রহিম। ফলে আকলিমা খাতুনকে কোথাও যেতে হয়নি।



