এমনকি ১৯৭৫ সালেও দক্ষিণ আমেরিকার প্রমোটার এবং সৌদি আরব সরকারের কাছ থেকে মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব পেয়েছিলেন পার্কার। কিন্তু সেসব প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।এর কারণ ছিল পার্কারের নিজের পরিচয়। তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী একজন অভিবাসী। এলভিস জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁর ঘনিষ্ঠজনরাও বিষয়টি জানতেন না। এলভিসের মৃত্যুর পর পার্কারের এই পরিচয় প্রকাশ্যে আসে।
শিলিং বলেন, ‘আমাদের একজন একবার পার্কারকে ফোন করে বলেছিলেন, “কর্নেল, আপনি তো কখনো বলেননি যে আপনি হল্যান্ডের মানুষ।” পার্কার জবাব দিয়েছিলেন, “তোমরা তো কখনো জিজ্ঞেস করোনি।”’
ষাটের দশকে পার্কারের ভাই–বোনেরা তাঁর আসল পরিচয় সম্পর্কে তথ্য দিতে শুরু করেন। পরে ১৯৮২ সালে আইনি জটিলতার কারণে তাঁর প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, পার্কার আসলে ১৯০৯ সালে নেদারল্যান্ডসের ব্রেদা শহরে জন্ম নেওয়া আন্দ্রেয়াস কর্নেলিস ভ্যান কুইক। ১১ ভাই-বোনের একজন ছিলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার চেষ্টা একাধিকবার করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ১৯২৯ সালে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যান। আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব না পেলেও ১৯৯৭ সালে মৃত্যুর আগপর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেই ছিলেন।