খান্না বলেন, ‘দুই ঘণ্টায় যদি আমরা ছয়জনের নাম খুঁজে পাই, তাহলে ৩০ লাখ পৃষ্ঠার নথিতে আরও কত নাম গোপন রাখা হয়েছে, তা কল্পনা করুন।’ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নির্বাচিত এই ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি বলেন, নামগুলো চিহ্নিত করার পর বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করেন। তবে এখনো অনেক নাম গোপন রয়ে গেছে।
লেসলি ওয়েক্সনারের সঙ্গে এপস্টিনের দীর্ঘদিনের আর্থিক সম্পর্ক ছিল। নিউইয়র্ক টাইমস–এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, এপস্টিনের আর্থিক উত্থানে ওয়েক্সনার বড় ভূমিকা রাখেন। সাম্প্রতিক নথিতে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) তাঁকে এপস্টিনের ‘সহষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে এপস্টিন–সম্পর্কিত কোনো ফৌজদারি অভিযোগ নেই।


